পাভিসবা সভাপতির বাণী

Spread the love

অনুত্তর পূজনীয় ভিক্ষু সংঘ, শ্রদ্ধাবান দায়ক-দায়িকাবৃন্দ ও সুধী সজ্জ্বনমন্ডলী সকলকে যথাযোগ্য সম্মান, শ্রদ্ধা, মৈত্রীময় শুভেচ্ছাসহ আন্তরিক অভিনন্দন।

পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক ধর্মীয় সংঘ সংগঠন। পার্বত্য চট্টগ্রামে বৌদ্ধধর্ম জাগরণের লক্ষ্যে ১৯৫৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের কীর্তিমান পূন্যপুরুষ চাকমা রাজগুরু পরমারাধ্য ভদন্ত অগ্রবংশ মহাথের মহোদয় সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ করে আদিবাসী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে মহামানব গৌতম বুদ্ধের ধর্ম প্রচার ও প্রসারের অভাবনীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ধর্মীয় প্রচারের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে অনেক সংঘ সদস্য স্ব স্ব অবস্থান থেকে অবদান রেখে যাচ্ছে। পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ এসবের মূল কারিগর। সংঘের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে নিয়ে বর্তমানে পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় তহবিল গঠন করা হয়েছে। উক্ত তহবিলে বহু শুভাকাঙ্খী দায়ক-দায়িকাবৃন্দ সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। সংঘ শক্তিকে মজবুত করার জন্য সদ্ধর্মানুরাগী দায়ক-দায়িকাদের সহযোগিতা কামনা করছি।

এযাবতাকলে সদ্ধর্ম প্রচার ও প্রসারে আপামর বৌদ্ধ জনসাধারণ পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ এর পাশে থেকে সহযোগিতা দিয়ে এসেছেন। আমি তাদেরকে পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে আন্তরিক সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ভবিষ্যতেও আমাদেরকে সহযোগিতা দিয়ে যাবেন- এ পবিত্র আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
পরিশেষে- সকলকে মৈত্রীময় শুভেচ্ছা।

”সব্বে সত্ত্বা সুখিতা হোন্তু- জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক”

(শ্রীমৎ শ্রদ্ধালংকার মহাথের)
সভাপতি
পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ

অধ্যক্ষ, সংঘারাম বিহার, ভেদভেদী, রাঙামাটি।