মৈত্রী’র সংজ্ঞা: পালিতে মেত্তা, ইংরেজীতে- Mettā, সংস্কৃতে Maitri বা মৈত্রী, বাংলা আভিধানিক মৈত্রী শব্দের অর্থ মিত্রতা, বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য, সখ্যতা, সহিষ্ণুতা ও সহাবস্থান। Mettā means loving-kindness, fellowship, non-violence, amity, benevolence. মৈত্রীর সুনিদির্ষ্ট কোন সংজ্ঞা পাওয়া না গেলেও বৌদ্ধ স্কলারদের মতে, মৈত্রী বলতে সুদৃঢ়ভাবে আত্মহিত- পরহিতে সুখ কামনা করা। মৈত্রীর রসায়নে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, জাতিগত ও রাজনৈতিক অঙ্গনে জটিল সমস্যাকে পারস্পরিক মৈত্রীভাবাপন্ন ও উষ্ণ-হৃদয়গ্রাহী হয়ে সমাধনের পথ সহজতর হয়।

মৈত্রী’র পূর্বশর্তঃ জেনে রাখা ভালো, মৈত্রী ভাবানুশীলনে প্রথম শর্ত হল মানুষের চারিত্রিক পরিশুদ্ধতা। চারিত্রিক পরিশুদ্ধ না হলে মনে একাগ্রতা আসে না। বৌদ্ধধর্মে চারিত ও বারিত ভেদে দু’প্রকার শীল। বারিত শীল হল প্রাণীকে হিংসা না করা, পরদ্রব্য হরণ না করা, অবৈধ কামসেবন থেকে বিরত থাকা, মিথ্যা(কর্কশ, সম্প্রলাপ, বিভেদ বাক্য) বাক্যে কাউকে না ঠকানো ও মাদক সেবন থেকে সর্বদা বিরত থাকা। বারিত শীলের বিপরীত হল চারিত শীল। চারিত্রিক বিশুদ্ধতার জন্য বারিতশীলকে বর্জন ও চারিতশীল নিত্য প্রতিপালনীয়। এ কারণে ভাবনাকারীকে মৈত্রী, ক্ষমা ও উপেক্ষার গুণসমূহকে বারবার প্রত্যবেক্ষণ করতে হয়।

পদ্ধতিগতভাবে মৈত্রীকে পাঁচটি ধাপে প্রয়োগঃ আমাদের প্রতিদিনের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণে মৈত্রীকে পদ্ধতিগতভাবে প্রয়োগ করতে পারি ঠিক এভাবে- নিজের জন্য, প্রিয়জনকে, নিরপেক্ষ ব্যক্তি, শত্রু ও সকল জীবের পরম সুখ কামনা করা।

ক) প্রথমত: (অত্তানম, ময়ং) নিজের জন্য ‘অহং অবেরো হোমি, অব্যাপজ্জা হোমি, অনীঘো হোমি, সুখী অত্তানম পরিহরামি’অর্থাৎ আমি যেন- শত্রুমুক্ত, দু:খহীন হই ও নানাবিধ উপদ্রবমুক্ত হয়ে সুখে অবস্থান করতে পারি। নিজের সুখ আরক্ষা কামনা করা। বৌদ্ধ সাহিত্য চারি প্রকার শত্রুর কথা বলা হয়েছে। রাজশত্রু(প্রজাদের অনিষ্টকারী), অগ্নিশত্রু(আগুন উপকারী হলেও অসাবধানতাবশত নিমিষেই সম্পত্তি বিনাশ করে দেয়), বন্যাশত্রু(প্রবল বর্ষণে বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতি হয়ে থাকে) চোর-ডাকাত শত্রু(দুষ্কৃতকারী, ডাকাত মূল্যবান সম্পত্তি হরণ করে নেয়) ও অমিত্র বা শত্রু (প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ক্ষতিসাধন করেন) । তজ্জন্য জ্ঞানীমাত্রই নিজেকে শত্রুমুক্ত রাখেন।

খ) দ্বিতীয়ত: (আচরিয়, মাতাপিতারো, হিতসত্তা) আচার্য, শিক্ষাগুরু, দীক্ষাগুরু, উপাধ্যায়, মাতা-পিতা, হিতকামী (ভাই-বোন, আত্মীয়)র প্রতি হিত চিন্তা করা। এরা নিজেকে যেভাবে রক্ষা করেন তেমনি আপনজনকেও সেভাবে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। মা-বাবা, স্বামী/স্ত্রী, ভাই-বোন ও গুরুজন সকলে অদ্বিতীয় প্রিয়জন। আমরা তাঁদের দর্শনে প্রীত হই ও সুখ অনুভব করি। তাঁরা বহুগুণে গুণান্বিত। কল্যাণমিত্রগণ সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, আহারে-বিহারে প্রভৃতির মাধ্যমে সুরক্ষা দিয়ে থাকেন। তাঁরা সৎকাজে প্রশংসা, অসৎকাজে নিন্দা করেন।

গ) তৃতীয়ত: (অপেক্খাগহি, মজ্ঝত্তা) নিরপেক্ষ ব্যক্তি অর্থাৎ সে বন্ধুও না শত্রুও না এমন ব্যক্তি; তার প্রতিও মৈত্রীপোষণ করবে। ধরুন, আপনি রাস্তা দিয়ে কোথাও হেঁটে যাচ্ছেন তখন চারপাশে অনেক পথচারি বা মানুষ দেখতে পাচ্ছেন তবে তারা পরিচিতমূখ নয়। এদেরকে নিরপেক্ষ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তাদেরকে তৃতীয়ধাপে মৈত্রীপোষণ করতে বলা হয়েছে।

ঘ) চতুর্থ: (বেরীসত্তা) আপনার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ শত্রু যার সাথে একটা দ্বন্ধ, সংঘাত বিদ্যমান, আপনাকে অনিষ্ট ও জীবননাশে দ্বিধা করেননা তাকেও মৈত্রী প্রয়োগ করতে বলা হয়েছে। কেননা, বৌদ্ধধর্মে চরম শত্রুকেও নৈতিকতার দৃষ্টিতে বন্ধু বলা হয়েছে। যদিও রাজনীতিতে স্থায়ী শত্রুমিত্র বলতে কিছু নেই(এই বন্ধু, এই শত্রু)। ধর্মপদের যমকবর্গে বলা হয়েছে, ‘না হি বেরেনা বেরানি সমন্তি’ধা কুদাচনং, অবেরেনা চা সম্মন্তি এস ধম্মো সনন্তনো’- জগতে শত্রুতা দ্বারা শত্রুতার নিরসন হয়না; মিত্রতার দ্বারাই শত্রুতার নিরসন হয় – এটিই বুদ্ধের উপদেশ। এটি মৈত্রীবাদীর চতুর্থ ধাপ। গ) পঞ্চম: (সব্বে সত্তা) সকল সত্ত্ব বা প্রাণী। উপরে বর্ণিত চারটি ধাপে নিজের ও পর্যায়ক্রমে নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি মৈত্রী চর্চা করতে বলা হয়েছে। এরপর সর্বশেষ ধাপটি হল সকল জীবের প্রতি হিতচিন্তা করা। সেই প্রাণী হোক জরায়ুজ, স্বেদজ, অন্ধজ ও ঔপপাতিক। এভাবে মৈত্রীকে ব্যাপক অর্থে প্রয়োগ করা হয়েছে। কেউ ঘরে, গ্রামে, নগরে, জনপদে, বঙ্গদেশ, জম্বুদ্বীপ ( অখণ্ড ভারতবর্ষের কিছু অংশ) ও চক্রবালে যে সমস্ত শ্রেষ্ঠী, শাসক-নায়ক, অদৃশ্য ভিনগ্রহী, পুদ্গল, মনুষ্য-অমনুষ্য ও প্রেত প্রভৃতি বিদ্যমান তাঁদের প্রতিও মৈত্রী কামনা করা। করণীয় মৈত্রী সূত্রে বলা হয়েছে, ‘ দিট্ঠা বা যেবা অদিট্ঠা যে চা দূরে বসন্তি অবিদূরে, ভূতা বা সম্ভবেসি বা সব্বে সত্তা ভবন্তু সুখিতত্তা– চক্রবালে(ঘোলাকার) দৃশ্য-অদৃশ্য, কাছে-দূরে, ছোট-বড়, হিংস্র-অহিংস্র, ভূত-প্রেত যারা ভবিষ্যতে জন্মাবে; সকল সত্ত্বগণ সুখি হোক -এভাবে মৈত্রীভাব পোষণ করবে। মাতা যথা নিয়ং পুত্তং আয়ুসা একপুত্ত মনুরক্খে, এবম্পি সব্বভূতেসা মানসং ভাবয়ে অপরিমাণং– মা যেমন নিজের ঔরসজাত সন্তানকে জীবনের বিনিময়ে রক্ষা করে সেরূপ তুমিও সকল প্রাণীর প্রতি মৈত্রী প্রদর্শন করবে। ‘মেত্তঞ্চা সব্বলোকস্মিং মানসং ভাবয়ে অপরিমাণং, উদ্ধং অধো চা তিরিষঞ্চা অসম্বাধং অবেরংমসপত্তং’- উর্দ্ধে, অধোদিক ও মধ্যভাগে যে সকল প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে, তাদের প্রতিও অপ্রমেয় হিতচিন্তা করবে। এরকম হিতকর চিন্তনে বৈরী বা শত্রুতার নিরসন করা সম্ভব।

মৈত্রী কেন? বৌদ্ধসাহিত্যে দশ পারমীর মধ্যে নবম পারমী হল ‘মৈত্রী পারমী’। এখানে বলা হয়েছে, ‘যথাপি উদকং নাম কল্যাণে পাপকে জনে, সমং ফরতি সীতেন পবাহেতি রজোমলং; তত্থেব তং পি হিতাহিতে সমং মেত্তেয় ভাবয়, মেত্তা পারমিং গন্ত্বা সম্বোধিং পাপুনিস্সতি’- অর্থাৎ, জল যেমন সৎ কিংবা অসৎ ব্যক্তি যেই হোক সবাইকে পিপাসামুক্ত ও স্নানে শরীরের ময়লা বিদূরিত করে; সেরূপ তুমিও সকলের প্রতি মৈত্রীভাব পোষণ করবে। এভাবে বোধিসত্ত্ব (বুদ্ধাংকুর) মৈত্রী পারমী পূর্ণ করেন। বৌদ্ধ সাহিত্য আর পাওয়া যায়, ব্রহ্মলোকের সত্ত্বগণ চারি ব্রহ্মবিহার (মৈত্রী, করুণা, মুদিতা ও উপেক্ষা) অনুধ্যানে সর্বদা নিরত থাকেন। এই মৈত্রী উচ্চমার্গের সোপান ও মনকে ভাবনায় নিবদ্ধ রাখে। মনের বিকারসমূহকে (অসন্তুষ্টি, অশান্তি ও রাগ) নিবৃত্ত করে আমাদের সুবোধ ও ক্ষমাশীল হয়ে উঠার অনুপ্রেরণা যোগায়। মৈত্রীচর্চায় অপরের ইতিবাচক দিকসমূহকে গ্রহণ ও ভূল-ভ্রান্তি শোধরাতে শিক্ষা দেয়। অঙ্গুত্তর নিকায়র মতে, ‘নহং ভিক্খকে অঞ্ঞং, ধম্মম্পি সমনুপস্সামি যেন অনুপ্পন্নো বা ব্যাপাদো নুপজ্জতি উপ্পন্নো বা ব্যাপাদো পহীয়তি যদামিদাং ভিক্খবে মেত্তা চেত্ত বিমুত্তাদি’– হে ভিক্ষুগণ, আমি এমন কোন মনোবৃত্তি দেখতে পাই না, যার অন্তরে অপরের অহিত চিন্তা (দ্বেষ) কোনদিন উৎপন্ন হতে পারে না বা উৎপন্ন হবার সুযোগ নেই, উৎপন্ন হলেও তৎমুর্হূতে অর্ন্তহিত হয়ে যায় সেটাই মৈত্রী।

অখণ্ড মৈত্রীর গুণাবলীঃ মৈত্রীভাবনা অনুশীলনে মনের মধ্যে প্রশান্তি ও সুখ স্থাপন করা যায় । মনে কখনো উদ্বেগ, উৎকন্ঠা, অস্থিরতা কাজ করতে পারে না। মৈত্রী ভাবনায় মনস্তাত্ত্বিক সুফল ( immediate psychological benefit) পাওয়া যায়। আধ্যাত্নিক মুক্তিসাধনে সহায়ক হয়। বুদ্ধের আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গের মধ্যমপন্থা- সঠিক বাক্য, সঠিক কর্ম ও সঠিক জীবনধারণে সুবোধ জাগ্রত হয়। ‘মিলিন্দ প্রশ্ন’ বইয়ের আলোকে, মৈত্রী ভাবনার ১১টি সুফল বর্ণিত হয়েছে- (১) সুখে নিন্দ্রা যায়, (২) সুখে (অনুতপ্ত ও ভীত না হয়ে) জাগ্রত হয়, (৩) দুঃস্বপ্ন দেখে না, (৪) মানুষের কাছে প্রিয়ভাজন হয়ে উঠেন, (৫) অমনুষ্যের কাছে প্রিয়ভাজন হয়, (৬) দেবগণ সর্বদা রক্ষা করেন, (৭) আগুন, বিষ, অস্ত্র তাকে অনিষ্ট করে না, (৮) চিত্ত বা মন স্থির হয়, (৯) মুখের চেহারা সতত সুপ্রসন্ন থাকে, (১০) সজ্ঞানে দেহত্যাগ হয়, (১১) অর্হত্ত্ব মার্গফলে অধিষ্ঠিত হতে না পারলেও তার মৃত্যুগতি হয়ে থাকে ব্রহ্মলোকে।

তথাগত বুদ্ধের অখণ্ড মৈত্রী প্রয়োগঃ একদা মানবপুত্র বুদ্ধ তাঁর জীবদ্দশায় মৈত্রীভাবনা সম্পর্কে পাঁচশত ভিক্ষুর উদ্দেশ্য দেশনা করেছিলেন। করণীয় মেত্ত সূত্র মতে, পাঁচশ ভিক্ষু বর্ষাবাসের সময় তিনমাস জঙ্গলে ধ্যান করতে গিয়ে অপদেবতার উপদ্রবে অতিষ্ট হয়ে পড়েন। অহিতকর দেবতাগণের ভয়-ভীতি, চিৎকার, ঘৃণিত ও দুর্গন্ধ বস্তু বায়ুতে ছুড়ে দেয়াতে ভিক্ষুদের ধ্যানে মন অসমাধিস্থ হয়ে যায়। ভিক্ষুগণ নিরুপায় হয়ে বুদ্ধের সাক্ষাৎ প্রত্যাশা করেন। এবং ভিক্ষুরা তথাগতের সাক্ষাত লাভে বুদ্ধ তাঁদেরকে মৈত্রী ভাবনানুশীলন করতে বলেছিলেন। পুনরায় ভিক্ষুরা অধিষ্ঠান স্থলে গিয়ে মৈত্রী ভাবনানুশীলনে অপদেবতার উপদ্রব ও ভীতি মুক্ত হন। বৌদ্ধ সাহিত্যে কোন কোন উপাখ্যানে পাওয়া যায়, বুদ্ধ কর্তৃক উন্মত্ত নালাগিরি হাতিকে মৈত্রী দ্বারা দমন, দস্যু ও অস্থির অঙ্গুলীমালকে মাতৃহত্যা থেকে রক্ষা, বিপদগামী দেবদত্তকে দমন প্রভৃতি ঘটনা উল্লেখযোগ্য। গোটা ভারতবর্ষব্যাপী কারুণিক বুদ্ধের শিক্ষা ছিল অহিংসা ও সাম্যতা । তিনি বর্ণবাদ, জাতিবাদ ও পশুবলি প্রথার বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন করেছিলেন। তাঁর এই আন্দোলনে ছিল না কোন অস্ত্র, তলোয়ার কিংবা বাহুবল। তাঁর অমিয় মৈত্রী বাণীতে সিক্ত হয়ে দীক্ষিত হয়েছিলেন সকল শ্রেণির মানুষ (রাজকুমার, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, শ্রেষ্ঠী, পথিক, নাপিত, ব্রাহ্মণ, চণ্ডালের মতো অগণিত যুবক, বৃদ্ধ ও বণিতা)। বুদ্ধ তথাগত কারো মনে আঘাত ও ভীতিসঞ্চার করেননি বরং মানুষের হৃদয়ে দিয়েছিলেন অভয়। বুদ্ধের এই অহিংস নীতির রসায়নে খোদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী (প্রাক্তন) মহাত্মা গান্ধীর আন্দোলন ছিল ‘অহিংস আন্দোলন’।তথাগত বুদ্ধের এই মৈত্রী শিক্ষা ছিল বিশ্ব মানবতা ও শান্তির দলিল। ‘সব্বে সত্তা সুখিতা ভবন্তু (অর্থাৎ বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল জীবগণের প্রতি মৈত্রীসুখ কামনা করা)’। এরকম শান্তিবার্তা উচ্চারণে দ্বিতীয়জন কোন মনীষী ছিল বলে আমার জানা নেই। তাঁর শিক্ষা কোন ব্যক্তিবিশেষ, সম্প্রদায় কিংবা জাতিভিত্তিক নয়; বরং সকল প্রাণীর জন্য। বর্তমান অশান্ত বিশ্বে জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে বুদ্ধের শিক্ষায় মনোযোগী হওয়া উচিত। তবেই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

প্রবন্ধকার: Ven Bipassi Bhikkhu, সম্পাদক, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ।

 

তথ্যকণিকা:

ক) খুদ্দক নিকায়- ইতিবুত্তক, অটঠকথা- ভদন্ত জ্যোতি রক্ষিত ভিক্ষু
খ) ব্রহ্মবিহার- জ্যোতি পাল মহাথের
গ) https://www.wildmind.org/metta/introduction
ঘ) https://en.wikipedia.org/wiki/Mett%C4%81

Please follow and like us:

By pbsb

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *